• ২ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ২০ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

RG Kar Case

কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আর জি করের ফাইল খুলতেই প্রথম গ্রেপ্তার! ওড়িশা থেকে পুলিশের জালে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ

আর জি কর মামলার ফাইল নতুন করে খোলার পরই বড় পদক্ষেপ করল পুলিশ। এই মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার হলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার এবং পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকারের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। আর জি কর কাণ্ডের পর নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করে প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। পরিবারের সদস্যদের সই ছাড়াই দেহ সৎকার করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।এই ঘটনা নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সরব হয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভয়ার দেহ দ্রুত সৎকার করে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছিল। এমনকি দেহ সৎকারের খরচও পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।এই ঘটনায় পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষের পাশাপাশি ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমনাথ দে এবং প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের নামও সামনে এসেছিল। গত সোমবার খড়দা থানায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন অভয়ার বাবা। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে।তদন্তের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সকালে ওড়িশা থেকে নির্মল ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত অথবা শুক্রবার সকালে তাঁকে রাজ্যে নিয়ে আসা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।এর আগে ৯ অগস্ট আর জি কর কাণ্ডে নিহত তরুণী চিকিৎসকের দেহ দ্রুত সৎকারের অভিযোগের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় থেকেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়। পরিবারের সই ছাড়া কীভাবে দেহ সৎকার করা হয়েছিল এবং ওই প্রক্রিয়ায় কারা যুক্ত ছিলেন, তা তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।নির্মল ঘোষের পরিবারের বিরুদ্ধেও এর আগে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। গত ১৩ জুলাই তাঁর ছেলে তীর্থঙ্কর ঘোষকে তোলাবাজি-সহ একাধিক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নির্মল ঘোষের নাম লটারিকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।নির্মল ঘোষের গ্রেপ্তারির পর আর জি কর মামলার তদন্তে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। অভয়ার দেহ সৎকারের ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং পুলিশের তদন্তে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে ফের তৎপরতা, অভয়ার সঙ্গে ডিনার করা বন্ধুদের তলব! জেরার তালিকায় আর কারা?

খুলল কি ফের অভয়া ফাইলস? আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে তৎপরতা শুরু হয়েছে। নতুন করে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল এবং তার আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেছে। এবার ঘটনার রাতের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। সেই তালিকায় রয়েছেন অভয়ার সঙ্গে রাতে ডিনার করা বন্ধুরাও।শুধু অভয়ার বন্ধুদেরই নয়, ঘটনার সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা নার্স, চিকিৎসক, নিরাপত্তারক্ষী এবং আদালতে সাক্ষ্য দেওয়া হাসপাতালের কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে জেলবন্দি আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকেও ফের জেরা করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।আর জি কর-কাণ্ডে অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়, প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ-সহ মোট সাতজন এবং কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষীর পলিগ্রাফ পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে সেই পরীক্ষা এবং তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে নতুন তদন্তকারীরা সন্তুষ্ট নন বলে সূত্রের দাবি। সেই কারণেই মামলার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ফের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে কারা ডিনারে ছিলেন, সেই বিষয়টিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই সময় হাসপাতালে উপস্থিত থাকা চিকিৎসক, নার্স এবং নিরাপত্তারক্ষীদেরও জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে। একই সঙ্গে ফের পরীক্ষা করা হবে সিসিটিভি ফুটেজও। প্রয়োজন হলে আদালতের অনুমতি নিয়ে জেলবন্দি সন্দীপ ঘোষকে জেরা করতে পারেন তদন্তকারীরা।অভয়ার মা দীর্ঘদিন ধরেই দাবি করে আসছেন, ঘটনার রাতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা ডিনার করেছিলেন, তাঁদের ভূমিকা যথাযথ ভাবে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং তদন্তের আওতায় আনার দাবিও তিনি একাধিক বার জানিয়েছেন। আদালতের তরফেও ঘটনার রাতে ডিনারে কারা উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁদের ভূমিকা কী ছিল, তা নিয়ে তদন্তের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে প্রশ্ন উঠেছিল বলে জানা যায়।এর মধ্যেই তদন্তকারী আধিকারিক বদল করা হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব থেকে সীমা পাহুজাকে সরিয়ে নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সন্দীপনী গর্গকে। কয়েক দিন আগে দিল্লি থেকে চার সদস্যের একটি বিশেষ দলও আর জি কর হাসপাতালে পৌঁছয়। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে ওই দলের আধিকারিকরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।তদন্তকারী সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ উঠেছিল, সেই জায়গা ফের খুঁটিয়ে দেখা হয়েছে। নির্যাতিতার মায়ের আবেদনের ভিত্তিতেই আদালতের নির্দেশে তদন্তকারীদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।এবার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক ব্যক্তিকে ফের তলব করার খবর সামনে আসায় আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে নতুন করে কী তথ্য উঠে আসে, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে ঘটনার রাতে অভয়ার সঙ্গে থাকা বন্ধু, হাসপাতালে উপস্থিত চিকিৎসক ও নার্স এবং প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে ঘিরে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, তা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২৬
কলকাতা

‘লম্বা লড়াই, তবে তিলোত্তমাই জিতবে’, পানিহাটিতে শুভেন্দুর বিস্ফোরক ঘোষণা, ফের তদন্তের নির্দেশ

অভিশপ্ত ৯ অগাস্টের দুবছর পূর্ণ হল। তিলোত্তমার মৃত্যুবার্ষিকীতে রবিবার পানিহাটিতে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত হয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তরুণী চিকিৎসকের মৃত্যু-রহস্য আরও গভীরে গিয়ে খতিয়ে দেখার জন্য নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।সভায় শুভেন্দু বলেন, লম্বা দুবছরের লড়াই। দীর্ঘ লড়াই। তবে আমি বলছি, নিশ্চিত ভাবে এই লড়াইয়ে তিলোত্তমা জিতবে। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় স্বজনপ্রীতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের কোনও জায়গা থাকবে না। ঘটনায় যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রী জানান, তিলোত্তমার দেহ তড়িঘড়ি সৎকারের পেছনে তৎকালীন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। সেই সূত্রে তৎকালীন বিধায়ক নির্মল ঘোষের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি তৎকালীন বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারের তদন্ত প্রক্রিয়াও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু।২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুম থেকে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই ঘটনা গোটা রাজ্য তথা দেশের মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছিল। তদন্তে সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। তবে শুরু থেকেই তিলোত্তমার পরিবার দাবি করে এসেছে, এই ঘটনায় আরও অনেকে জড়িত থাকতে পারেন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণাকে তাই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে তিলোত্তমার পরিবার। তাঁদের আশা, এত দিন যে প্রশ্নগুলির উত্তর মেলেনি, নতুন তদন্তে তার কিছুটা হলেও স্পষ্ট হবে।তিলোত্তমার মৃত্যুর দুবছরের স্মরণসভায় নিজের সেই সময়ের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করে বলেন, রাখিপূর্ণিমার দিন অরাজনৈতিক নবান্ন অভিযানের সময় তিলোত্তমার মায়ের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ হয়েছিল। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতেও দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।শুভেন্দুর কথায়, আমি ভুলি না। যা করণীয় কাজ করছি, আগামী দিনেও করব। এর শেষ আমাকে দেখতেই হবে। ফলে তিলোত্তমাকাণ্ডে নতুন করে শুরু হওয়া তদন্তে ঠিক কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হয় এবং পুরনো কোনও প্রশ্নের নতুন উত্তর মেলে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৯, ২০২৬
কলকাতা

ফের খুলছে আর জি করের ‘ফাইল’! অভয়ার ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এ বার পৃথক তদন্ত স্বাস্থ্যদপ্তরের

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের সক্রিয় হয়েছে আর জি কর-কাণ্ডের তদন্ত। হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই। এর মধ্যেই পৃথক ভাবে ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শনিবার স্বাস্থ্যদপ্তরে সাংবাদিক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়।স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাতে ধর্ষণ ও খুনের আগে এবং পরে ঘটনাস্থলে যাঁরা গিয়েছিলেন, তাঁদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। পাশাপাশি আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের ওই তরুণী চিকিৎসকের সঙ্গে কাজ করা অধ্যাপকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তদন্তকারীরা। তদন্ত শেষে যে তথ্য উঠে আসবে, তা রাজ্য সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।স্বাস্থ্যদপ্তরের দাবি, নতুন করে তদন্তে হাসপাতালের প্রশাসনিক ও বিভাগীয় ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হবে। কোথায় কী ধরনের ঘাটতি ছিল, সেই ঘাটতি কীভাবে তৈরি হয়েছিল এবং কেন তা আগে থেকে দূর করা যায়নি, তা জানার চেষ্টা করবেন তদন্তকারীরা।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর আগে থেমে থাকা তদন্তের বিষয়গুলিও নতুন করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই আর জি কর-কাণ্ডে পৃথক তদন্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।আর জি কর-কাণ্ডের পর হাসপাতালের বিভিন্ন ত্রুটি এবং অনিয়ম নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি ওই তরুণী চিকিৎসক হাসপাতালের কিছু অন্ধকার দিক সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন এবং সেই কারণেই তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ উঠেছিল। তবে এই দাবিগুলি এখনও অভিযোগের পর্যায়েই রয়েছে। নতুন তদন্তে হাসপাতালের ত্রুটি বা অনিয়ম আড়াল করার কোনও চেষ্টা হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে তার নেপথ্যে কারা ছিলেন, সেই বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যদপ্তর।এদিকে রবিবার রাজ্যজুড়ে পালিত হবে অভয়া দিবস। দুই বছর আগে ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে চেস্ট মেডিসিন বিভাগের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার স্মরণে রাজ্যের সমস্ত সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।সকাল ১১টায় অভয়ার স্মরণে দুই মিনিট নীরবতা পালন এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের কর্মসূচি রয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি জায়গায় ছোট সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা।অভয়ার মা বিজেপি বিধায়ক রত্না দেবনাথও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে রবিবার একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। সেখানে বিকেলে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের।সিবিআইয়ের তদন্ত চলার মধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তরের এই পৃথক তদন্তে নতুন করে কোন তথ্য সামনে আসে, আর জি কর-কাণ্ডের তদন্তে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে, এখন সেদিকেই নজর।

আগস্ট ০৮, ২০২৬
কলকাতা

আর কতদিন অপেক্ষা? আর জি কর মামলায় সিবিআইকে তীব্র ভর্ৎসনা হাই কোর্টের

আর জি কর মামলার তদন্ত নিয়ে ফের সিবিআইকে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হল কলকাতা হাই কোর্টে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানির সময় বিচারপতিরা স্পষ্ট প্রশ্ন তোলেন, আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য হয়েছে আগামী ২৮ আগস্ট।শুনানিতে নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মায়ের আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, গত দুবছরে সিবিআই তদন্তে কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও স্পষ্ট চিত্র এখনও সামনে আসেনি। তাঁর অভিযোগ, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অতিরিক্ত হলফনামা থাকা সত্ত্বেও সেই দিকগুলি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি। শেষ রাতে উপস্থিত কয়েকজনের বয়ানও এখনও সম্পূর্ণভাবে খতিয়ে দেখা হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। পাশাপাশি প্রশ্ন তোলা হয়, যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন ছিল, তাঁদের এখনও কেন ডাকা হয়নি।এর জবাবে সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, তদন্ত এখনও চলছে এবং প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আদালতকে জানান, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীর বয়ান এখনও নেওয়া বাকি রয়েছে। তাই তদন্ত শেষ করতে আরও কিছু সময় প্রয়োজন।এই বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করে বিচারপতি শম্পা সরকার বলেন, সিবিআইয়ের আগের রিপোর্টেই তথ্যপ্রমাণ নষ্ট হওয়ার উল্লেখ রয়েছে। আদালতের আগের নির্দেশও ঠিকভাবে মানা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি। বিচারপতি স্পষ্ট জানান, ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নতুন করে সব তথ্য খতিয়ে দেখতে হবে। প্রয়োজনে আগের তদন্তের সীমাবদ্ধতা সরিয়ে আবার তদন্ত করতে হবে। বিচারপতির প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে? আদালতের এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেনি সিবিআই।উল্লেখ্য, গত বছরের ৯ আগস্ট আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সেমিনার হল থেকে এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার যায় সিবিআইয়ের হাতে। এই ঘটনায় এক অভিযুক্তের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হলেও নির্যাতিতার পরিবারের দাবি, ঘটনার সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত। সেই কারণেই সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠছে। আগামী ২৮ আগস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

আগস্ট ০৬, ২০২৬
রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে কড়া বার্তা বিজেপি সরকারের, তিন আইপিএসের সাসপেনশন আরও ১২০ দিন বৃদ্ধি, নতুন করে তদন্তে জোর

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর ফের আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে বহুল আলোচিত আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ-খুন মামলা। প্রশাসনিক স্তরে এই মামলার তদন্তকে আরও গভীর করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করল বিজেপি সরকার। আরজি কর-কাণ্ডের সময়ে কলকাতা পুলিশের শীর্ষ পদে থাকা তিন আইপিএস আধিকারিকের সাসপেনশনের মেয়াদ আরও ১২০ দিন বাড়ানো হয়েছে। সরকারের দাবি, ওই সময় তদন্ত ও প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে ওঠা একাধিক অভিযোগের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রক্রিয়া চলবে।সাসপেন্ড হওয়া তিন আধিকারিক হলেন তৎকালীন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডিসি (নর্থ) অভিষেক গুপ্ত এবং তৎকালীন ডিসি (সেন্ট্রাল) ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরই আরজি কর মামলার প্রশাসনিক দিকগুলি নতুন করে খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সূত্রেই তিন আধিকারিককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এবার সেই নিলম্বনের মেয়াদ আরও চার মাস বাড়ানো হল।সরকারি সূত্রের দাবি, শুধুমাত্র অপরাধের তদন্ত নয়, ঘটনার পর পুলিশের ভূমিকা, তথ্য পরিবেশন, অপরাধস্থল সংরক্ষণ এবং তদন্তে কোনও গাফিলতি হয়েছিল কি না, সেই সমস্ত বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এই তিন আধিকারিক যথাযথ প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। সেই কারণেই বিভাগীয় তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের সাসপেনশন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এদিকে আদালতের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)-এর হয়ে সিবিআই ইতিমধ্যেই তিন আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। গত মাসে তাঁরা পৃথকভাবে সিবিআই দফতরে হাজিরা দেন। তদন্তকারীরা তাঁদের বয়ান রেকর্ড করেন এবং ঘটনার সময় পুলিশের সিদ্ধান্ত, তদন্তের অগ্রগতি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন। সূত্রের খবর, প্রয়োজনে ভবিষ্যতেও তাঁদের ফের ডেকে পাঠানো হতে পারে।২০২৪ সালের অগস্টে আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত এক তরুণী চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছিল। কলকাতা পুলিশ অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করলেও তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। নির্যাতিতার পরিচয় প্রকাশ্যে চলে আসা, পরস্পরবিরোধী তথ্য প্রকাশ, তদন্তের স্বচ্ছতা নিয়ে বিতর্ক এবং হাসপাতালের ভিতরে দীর্ঘদিন ধরে চলা কথিত অসাধু চক্রকে আড়াল করার অভিযোগে তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন সমালোচনার মুখে পড়ে।ঘটনার জেরে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরে বিনীত গোয়েলকে কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদ থেকে সরিয়ে দেন। যদিও তিনি অন্য একটি প্রশাসনিক দায়িত্বে বহাল ছিলেন। কিন্তু সরকার বদলের পর তাঁর ভূমিকা নতুন করে তদন্তের আওতায় আসে।এই মামলায় বিতর্ক আরও বাড়ে ঘটনার প্রায় দুসপ্তাহ পরে একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই হয়নি, তবু সেখানে দেখা যায় বলে দাবি করা হয় যে, যেখান থেকে চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার হলে একাধিক বহিরাগত প্রবেশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, ভিডিওটি সেমিনার হলের হলেও অপরাধস্থল সুরক্ষিত ছিল। তাঁর এই বক্তব্য ঘিরেই তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠে।অন্যদিকে, অপরাধস্থলের চেহারা বদলে যাওয়া, সেমিনার হলের কাঠামোয় পরিবর্তন, রাতদখল কর্মসূচির রাতে ভাঙচুর এবং প্রমাণ সংরক্ষণে ব্যর্থতার মতো একাধিক অভিযোগের সঙ্গেও অভিষেক গুপ্তের নাম উঠে আসে। তদন্তকারীরা এখন সেই সমস্ত অভিযোগের নথি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের নেপথ্য কারণ খতিয়ে দেখছেন।রাজনৈতিক মহলের মতে, সাসপেনশনের মেয়াদ আরও ১২০ দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, আরজি কর মামলায় শুধুমাত্র অপরাধীদের বিচারের মধ্যেই তদন্ত সীমাবদ্ধ থাকছে না; বরং ঘটনার সময় প্রশাসনিক ব্যর্থতা বা দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগও সমান গুরুত্ব দিয়ে বিচার করতে চাইছে বর্তমান সরকার। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই তিন আইপিএস আধিকারিকের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২৬
কলকাতা

তিলোত্তমা মামলায় বিস্ফোরণ! ভিসেরা নমুনা নষ্টের অভিযোগে সামনে চাঞ্চল্যকর চিঠি, আদালতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

তিলোত্তমা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ফের সামনে এল নতুন বিতর্ক। এবার রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগারে ভিসেরা পরীক্ষার জন্য রাখা নমুনা নষ্ট ও বদলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ তুলেছে তিলোত্তমার পরিবার। এই অভিযোগের ভিত্তি একটি চিঠি, যা সম্প্রতি তিলোত্তমার বাবার কাছে পাঠিয়েছেন এক প্রাক্তন ফরেনসিক আধিকারিক।পরিবারের দাবি, ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে রাজ্য ফরেনসিক বিভাগের তিন আধিকারিক তিলোত্তমার ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছেন। আরও অভিযোগ, তিলোত্তমার লিভার, কিডনি ও পাকস্থলীর যে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা পরে বদলে ফেলা হয়। এই নমুনাগুলির মাধ্যমে তদন্তকারীরা জানতে চেয়েছিলেন, তিলোত্তমার শরীরে কোনও বিষক্রিয়া হয়েছিল কি না বা তাঁকে ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়েছিল কি না। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, সেই গুরুত্বপূর্ণ নমুনা আর আগের অবস্থায় ছিল না।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, রাজ্য ফরেনসিক পরীক্ষাগার থেকে কেন্দ্রীয় ফরেনসিক পরীক্ষাগারে পাঠানোর সময়ও ভিসেরা নমুনা বদলে দেওয়া হয়। এমনকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ হয়েছে বলেও ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও স্বাধীনভাবে প্রমাণিত হয়নি।তিলোত্তমার পরিবারের সিদ্ধান্ত, এই চিঠি শিয়ালদহ আদালতে বিচারকের কাছে জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হবে, যাতে অভিযোগগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।চিঠিতে আরও দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল সরকারের আমলে খুন হওয়া বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের একাধিক মামলায়ও একই তিন আধিকারিক ভিসেরা নমুনা নষ্ট করেছিলেন। এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে। তবে অভিযোগগুলির বিষয়ে এখনও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনও সরকারি প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

জুলাই ০২, ২০২৬
কলকাতা

আর জি কর কাণ্ডে নাম জড়িয়েছিল, এবার চাকরি গেল! চিকিৎসক বিরূপাক্ষকে নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের প্যাথোলজি বিভাগের প্রাক্তন সিনিয়র রেসিডেন্ট চিকিৎসক বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের চাকরি বাতিল করল রাজ্যের স্বাস্থ্যদপ্তর। শুক্রবার স্বাস্থ্যভবনের তরফে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগ, ফৌজদারি মামলা, এফআইআর এবং তদন্ত সংস্থার রিপোর্ট খতিয়ে দেখে অভিযোগগুলির সত্যতা পাওয়া গিয়েছে। এরপরই এই কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।স্বাস্থ্যদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিরূপাক্ষ বিশ্বাস সাসপেন্ড ছিলেন। এবার তাঁর সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে থাকা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তাঁকে দুই বছরের জন্য মোট ২০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে কোনও সরকারি চাকরির সুযোগও তাঁর জন্য বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলকেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিধায়ক ইন্দ্রনীল খাঁ। তাঁর দাবি, নতুন প্রশাসনের অধীনে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কোনও ধরনের অনিয়ম, দালালচক্র বা প্রভাব খাটানোর জায়গা নেই। স্বাস্থ্য পরিষেবায় কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন এই পদক্ষেপ।বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের নাম প্রথম আলোচনায় আসে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসক খুনের ঘটনার তদন্ত চলাকালীন। সেই সময় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল। অভিযোগ ছিল, তিনি আর জি করের তৎকালীন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তদন্ত চলাকালীন একটি ভাইরাল ভিডিও নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল, যেখানে বিরূপাক্ষ বিশ্বাস এবং আরও এক চিকিৎসকের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।তবে এটাই একমাত্র অভিযোগ নয়। বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে আরও গুরুতর অভিযোগ ওঠে মুর্শিদাবাদের এক ছাত্রের কাছ থেকে। অভিযোগ ছিল, ওই ছাত্রকে চিকিৎসা শিক্ষায় ভর্তি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দুদফায় মোট ৮ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভর্তি করানো হয়নি এবং টাকা ফেরতও দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ দায়ের করা হয়।একাধিক অভিযোগ এবং তদন্তের পর স্বাস্থ্যদপ্তরের এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। চিকিৎসক মহলের একাংশের মতে, চাকরি বাতিল এবং ভবিষ্যতের সরকারি চাকরিতে নিষেধাজ্ঞার ফলে বিরূপাক্ষ বিশ্বাসের পেশাগত জীবনে বড় ধাক্কা এল।

মে ৩০, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে বড় অ্যাকশন! একসঙ্গে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার

ক্ষমতায় এসেই আরজি কর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। নির্যাতিতা চিকিৎসকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ওঠা অভিযোগের ভিত্তিতে তিন জন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্তও।যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁরা হলেন কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, কলকাতা পুলিশের প্রাক্তন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় এবং অভিষেক গুপ্ত। রাজ্য সরকারের অভিযোগ, আরজি কর কাণ্ডের সময় পুলিশের তরফে যথাযথ পদক্ষেপ করা হয়নি। এফআইআর করতে দেরি এবং তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, সেই সময় পুলিশের আধিকারিক এবং অফিসারদের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মূল মামলার তদন্ত যেহেতু সিবিআই করছে, তাই সেই তদন্তে রাজ্য সরকার কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।আরজি কর কাণ্ড সামনে আসার পর নির্যাতিতার পরিবারকে ঘুষ দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগও উঠেছিল বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, দুই পুলিশ অফিসার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে চাপ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন। সেই অভিযোগও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।আরজি কর কাণ্ডের সময় কলকাতা পুলিশের কমিশনার পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। ডিসি সেন্ট্রাল হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় পুলিশের মুখপাত্রের মতো আচরণ করেছিলেন এবং সেই সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এত প্রশ্ন কেন উঠেছিল।এই ঘটনায় নতুন করে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আরজি কর কাণ্ড নিয়ে শুরু থেকেই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। এবার সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বড় প্রশাসনিক পদক্ষেপ করল নতুন সরকার।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়, হঠাৎ সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা

আরজি কর কাণ্ড সংক্রান্ত মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়াল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ। মঙ্গলবার শুনানি চলাকালীন নিজেই এই সিদ্ধান্তের কথা জানান বিচারপতি। এর ফলে মামলাটি ফের প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতি ঠিক করবেন, এই মামলার শুনানি কোন বেঞ্চে হবে।শুনানির সময় বিচারপতি মান্থা জানান, রাজ্য সরকার এই ঘটনার তদন্তে আলাদা বিচারবিভাগীয় কমিশন গঠনের পথে এগোচ্ছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে এই মুহূর্তে তাঁর ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি শোনার প্রয়োজন রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলেই তিনি মনে করছেন।মামলার গুরুত্ব নিয়েও মন্তব্য করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, এই মামলা শুধু আবেদনকারীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, গোটা রাজ্য এবং দেশের বহু মানুষের নজর রয়েছে এই মামলার দিকে।এদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আগেই জানিয়েছিলেন, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই আরজি কর কাণ্ডের তদন্ত কোন পথে এগোবে, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। রাজ্য সরকারের তরফে তদন্ত কমিশন গঠনের ইঙ্গিত মিলতেই মামলাকে ঘিরে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা নিজে থেকেই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়ান। মামলার সমস্ত নথি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখন নজর রয়েছে, এই মামলার জন্য নতুন বেঞ্চ গঠন করা হবে নাকি আরও বড় কোনও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মে ১২, ২০২৬
কলকাতা

সারাদিন আদালতে অপেক্ষা, তবু শুনানি হল না! আর জি কর কাণ্ডে ফের হতাশ অভয়ার পরিবার

আর জি কর কাণ্ডে মঙ্গলবারও হল না শুনানি। সারাদিন আদালতে অপেক্ষা করেও কোনও ফল পেলেন না অভয়ার বাবা-মা। তাঁরা এজলাসে বসে থাকলেও সময়ের অভাবে মামলার শুনানি হয়নি।জানা গিয়েছে, বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চে এদিন একের পর এক অন্য মামলার শুনানি চলছিল। সেই কারণেই আর জি কর সংক্রান্ত মামলার জন্য সময় বের করা সম্ভব হয়নি। এখন আগামী বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হবে কি না, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সকলেই।উল্লেখ্য, এই মামলার শুনানি কলকাতা হাইকোর্টে হওয়ার কথা। অভয়ার বাবা-মায়ের আবেদন গ্রহণ করে দেশের সর্বোচ্চ আদালত এই নির্দেশ দিয়েছিল। সেই অনুযায়ী এখন হাইকোর্টেই মামলার শুনানি চলছে।এর আগেই এই মামলায় একটি রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সেই রায়ে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সঠিক তদন্ত হয়নি এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা রয়ে গিয়েছে।২০২৫ সালের আগস্ট মাসে আর জি কর হাসপাতাল থেকে অভয়ার দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছিল। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে এই মামলার তদন্তভার নেয় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কিন্তু তদন্তের গতি ও পদ্ধতি নিয়ে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন অভয়ার পরিবার।তাঁদের দাবি, ঘটনার পূর্ণ সত্য এখনও সামনে আসেনি এবং আরও গভীর তদন্ত প্রয়োজন। সেই কারণেই তাঁরা আবারও আইনি লড়াই শুরু করেছেন এবং ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর কাণ্ডে সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ আদালতের! দেওয়া হল কড়া নির্দেশ

আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রী ধর্ষণ ও খুনের মামলায় তার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে করা নতুন আবেদনের শুনানিতে আদালত সিবিআইয়ের তদন্তের ধীরগতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জানিয়েছে, পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে না থাকলেও এটি গ্রহণ করে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে যে, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে এবং দ্রুততা আনা প্রয়োজন।পরিবারের আবেদনে কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। আদালত উল্লেখ করেছে, সিবিআই এই বিষয়টি সঠিকভাবে দেখার বিষয়টি এড়িয়েছে। ১৫ মাস ধরে তদন্ত চললেও এখনও পর্যাপ্ত অগ্রগতি হয়নি।তিলোত্তমা ছাত্রী নিহতের পরিবারের তরফে গত মঙ্গলবার আদালতে নতুন আবেদন দাখিল করা হয়। এতে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক, কলকাতা পুলিশের অন্যান্য অফিসার এবং রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।পরিবারের আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। প্রথম এবং পরবর্তী রিপোর্টে বড় পার্থক্য রয়েছে, যা কোর্টকে বিভ্রান্ত করছে। পাশাপাশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি ফুটেজ দেখার জন্য আবেদন করা হয়। আইনজীবীরা আরও দাবি করেছেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার।সিবিআই-এর পক্ষ থেকে পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতারির আবেদন করা হয়েছে, তাদের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হবে, কারণ অনেককে ইতিমধ্যেই তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬
দেশ

আরজি কর মামলার তদন্তকারী অফিসারই পাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি পুরস্কার, তীব্র বিতর্ক

আরজি কর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসক-পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্ত যাঁর নেতৃত্বে হয়েছিল, সেই সিবিআই অফিসার ভি চন্দ্রশেখর এ বার সাধারণতন্ত্র দিবসে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার পেতে চলেছেন। তিনি বর্তমানে সিবিআইয়ের জয়েন্ট ডিরেক্টর পদে কর্মরত। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।প্রতি বছর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রের তরফে দেখানো হয় বিশেষ অবদান রাখা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের। দুধরনের পদক দেওয়া হয়একটি বিশেষ পরিষেবার জন্য এবং অন্যটি উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য। এ বছর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মোট ৩১ জন অফিসার রাষ্ট্রপতি পদক পাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন ভি চন্দ্রশেখর।তবে আরজি কর মামলার তদন্ত ঘিরে শুরু থেকেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সিবিআই। আদালতেও একাধিকবার তদন্ত নিয়ে ভর্ৎসনা শুনতে হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থাকে। এমনকি নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মাও সিবিআইয়ের তদন্তে আস্থা রাখতে পারেননি। সম্প্রতি ধর্ষণ ও খুনের মামলায় শিয়ালদহ আদালতে অষ্টম স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিবিআই। সেই রিপোর্ট নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের দাবি, ওই রিপোর্টে কোনও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি নেই।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চারতলার সেমিনার হল থেকে ওই মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতা পুলিশ সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে যায়। যদিও তদন্তে আর কোনও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সংস্থা। শেষ পর্যন্ত শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয় রায়কেই দোষী সাব্যস্ত করে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়।এই বিষয়টি নিয়েই বারবার প্রশ্ন তুলেছে নির্যাতিতার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, সিবিআই তদন্তে গাফিলতি হয়েছে বলেই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্য কেউ ধরা পড়েনি। আদালত সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর শিয়ালদহ আদালত চত্বরে এক সিবিআই তদন্তকারী অফিসারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন নির্যাতিতার বাবা। পরিস্থিতি সামাল দেন পরিবারের সদস্য ও আইনজীবীরা।এ দিকে, সঞ্জয় রায়ের সর্বোচ্চ সাজা বা প্রাণদণ্ড চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে সিবিআই। সেই মামলা বর্তমানে ডিভিশন বেঞ্চে বিচারাধীন। পাশাপাশি আরজি কর হাসপাতালের দুর্নীতির অভিযোগেও তদন্ত করছে সিবিআই। তবে সেই মামলাতেও এখনও পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬
কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুনানি ফিরল কলকাতা হাইকোর্টে

আরজি কর মামলার শুনানি এবার থেকে হবে কলকাতা হাইকোর্টে। এই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দেশের সর্বোচ্চ আদালত মামলাটি কলকাতা হাইকোর্টে ফিরিয়ে দিয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আগে দেওয়া সমস্ত নির্দেশ ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না, তা এখন থেকে নজরে রাখবে কলকাতা হাইকোর্ট।সুপ্রিম কোর্ট এদিন সিবিআই-কে নতুন করে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। তদন্ত কোন পর্যায়ে রয়েছে, সেই তথ্য নির্যাতিতার পরিবারকে জানাতেও বলা হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আরজি কর সংক্রান্ত মামলাটি হাইকোর্টের কোনও একটি ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠাতে হবে।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ভিতরে এক তরুণী চিকিৎসক পড়ুয়াকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় সঞ্জয় রাইয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে। তবে নির্যাতিতার মা-বাবার দাবি, এই ঘটনায় একা সঞ্জয় নয়, আরও একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে।মঙ্গলবারও সিবিআইয়ের তদন্ত নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নির্যাতিতার বাবা। তিনি বলেন, শিয়ালদহ আদালতে যেসব সওয়াল-জবাব হয়, তার পরের দিনই সেই অনুযায়ী রায়ের কপি পাওয়া যায়। কিন্তু সিবিআই সেই নথিগুলিকে গুরুত্ব দেয় না। তাঁর অভিযোগ, সাত মাস ধরে হাইকোর্টে মামলা চললেও এখনও ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি শুরু হয়নি। শুনানি শুরু হলে সিবিআইকে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।নির্যাতিতার পরিবার আরও দাবি করেছে, এই ঘটনায় বহু মানুষ জড়িত। তাঁদের বক্তব্য, ডিএনএ রিপোর্টেই সেই বিষয়টি স্পষ্ট। একজন মহিলার ডিএনএর সঙ্গে আরও ছজন পুরুষের ডিএনএ পাওয়া গিয়েছে। পরিবার জানে, তাঁরা কারা। এখন তাঁদের একটাই দাবি, সিবিআই সঠিক ভাবে তদন্ত করুক এবং সব দোষীদের সামনে আনুক।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
রাজ্য

RG Kar কাণ্ডে তৃণমূলের দাপুটে নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ অভয়ার বাবার! উত্তাল রাজ্য

আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ!আরজি কর কাণ্ডে ফের নয়া মোড়! তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ নির্যাতিতার পরিবারের। টাকা দিয়ে রফা করতে চেয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ! আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণীর বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করতেই কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে পালটা বোমা ফাটালেন নির্যাতিতার পরিবার।কী অভিযোগ নির্যাতিতার বাবার? সংবাদ মাধ্যমের সামনে তিনি কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে বলেন, আমাদের সঙ্গে উনি টাকা দিয়ে ব্যাপারটা মেটানোর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়িতে আসেননি, তবে বলেছিলেন আপনাদের এত টাকা দিচ্ছি, ব্যাপারটা মিটিয়ে নিন। পাশাপাশি বেশ কিছু হোয়্যাটসঅ্যাপ চ্যাটও সাংবাদিকদের দেখান নির্যাতিতার বাবা। তিলোত্তমার মা-বাবা আরও অভিযোগ করেন, মাঝেমধ্যেই কুণাল ঘোষ তাঁদের ফোন ও মেসেজ করতেন। এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন কুণাল ঘোষও। তাঁর কথায়, তিলোত্তমার বাবা বলছেন আমি নাকি ফোন করে রফার চেষ্টা করতাম! এতদিন পর এসব বলছেন? কত বড় মিথ্যা বলছেন ভেবে দেখুন। আমি অনুরোধ করছি, কোর্টে গিয়ে মাননীয় বিচারকের কাছে সব প্রমাণ দিন। সাংবাদিকদেরও প্রিন্ট আউট দিয়ে দিন। সোশ্যাল মিডিয়ায় সবটা দিয়ে দিন। সবাই দেখুক কুণাল ঘোষ কী লিখেছিলেন। অকারণে রহস্য বাড়ানোর চেষ্টা করবেন না।কোনও ভাবেই মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার যে অঙ্গীকার তা থেকে আমাদের পিছু হটানো যাবে না। তৃণমূল সরকার বারে বারে যাতে ন্যায় বিচার না পাই তার চেষ্টা করেছে। এবার এক সন্তানহারা বাবার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তৃণমূলেরই মুখপাত্র। তবে মেয়ের ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনবই। কোনও শক্তি সেই ন্যায় বিচার ছিনিয়ে আনার লড়াই থেকে আমাদের বিরত করতে পারবে না। কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে লড়াই হবে আইনি পথেই। এভাবেই বছর পেরোলেও মনোবল অটূট রেখে লড়াই জারির বার্তা দিলেন আরজি কর কাণ্ডে নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা।আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিহত তরুণী চিকিৎসকের বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের। বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে নির্যাতিতার বাবার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সংবাদমাধ্যমের সামনে আরজি করের নির্যাতিতার বাবার অভিযোগ ছিল, CBI টাকা নিয়ে তদন্ত চেপে দিয়েছে। সিবিআইকে টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। কুণাল ঘোষ সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে বিষয়টা দেখাশোনা করেছেন। আরজি করের নির্যাতিতার বাবার এই মারাত্মক অভিযোগের ব্যাপারে আগেই কুণাল ঘোষ তাঁকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করলেন তিনি।এর আগে গত সপ্তাহে নিহত চিকিৎসকের বাবাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে ক্ষমা চাইতে বলেন কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, নিহত চিকিৎসকের বাবার প্রতি ম্পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে, তবে ইচ্ছেমতো বা অন্য কারও প্ররোচনায় মিথ্যে অভিযোগ করা যায় না। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ সতর্ক করে বলেন,ক্ষমা না চাইলে আদালতে প্রমাণ হাজির করতে হবে। নোটিশ পাওয়ার পর চার দিনের সময়সীমা দিয়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র।কুণাল ঘোষ বলেন, তিনি মিথ্যে ও নাটকের সব সীমা অতিক্রম করেছেন। আমি বুঝি, মেয়েকে হারানোর যন্ত্রণায় থাকা এক বাবার বেদনা কতটা গভীর। কিন্তু তাই বলে ভিত্তিহীন অভিযোগ করলে প্রশ্ন উঠবেই। কার নির্দেশে বা কোন তথ্যের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন? উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ অগস্ট রাতে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে ডিউটিতে থাকা ৩১ বছর বয়সি এক চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুন করা হয়। ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। পরে সিবিআই তদন্তেও দোষী হিসাবে উঠে আসে সঞ্জয়ের নামই। শিয়ালদা আদালতে সঞ্জয়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেয়।নিহত চিকিৎসকের বাবা সিবিআই তদন্তের কড়া সমালোচনা করে বলেন, সিবিআই শুধু কলকাতা পুলিশের সেই পুরনো তত্ত্বকেই প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছে। আমরা শুরু থেকেই ভিন্ন দাবি জানালেও সিবিআই আমাদের বক্তব্য উপেক্ষা করেছে। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার সিবিআইকে ঘুষ দিয়েছে এবং কুণাল ঘোষই এই সমঝোতা করিয়েছেন।

আগস্ট ২১, ২০২৫

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

অপরিচিত যুবকদের ঘোরাঘুরি, রানিনগরে পুলিশের জালে ৭ বাংলাদেশি, কেন এসেছিল এই দেশে?

মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশের অভিযোগে একসঙ্গে সাত বাংলাদেশিকে আটক করল পুলিশ। রানিনগর থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে কাহারপাড়া এলাকা থেকে ওই সাতজনকে আটক করে। বুধবার তাদের হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশের অভিযোগেই তাদের আটক করা হয়েছে।জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে রানিনগর থানার ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে ওই সাত বাংলাদেশি বেআইনিভাবে এদেশে প্রবেশ করে। সীমান্ত পেরনোর পর কাহারপাড়া এলাকায় তারা গা-ঢাকা দিয়ে ছিল বলে অভিযোগ। কিন্তু এলাকায় বেশ কয়েকজন অপরিচিত যুবকের গতিবিধি স্থানীয় বাসিন্দাদের নজরে আসে। সন্দেহ হওয়ায় স্থানীয়রাই রানিনগর থানায় খবর দেন।খবর পেয়ে দ্রুত এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে সাতজনকে আটক করা হয়। এরপর তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় আটক ব্যক্তিরা দক্ষিণ ভারতে কাজের উদ্দেশ্যেই সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের কথা জানিয়েছে।এই ঘটনায় সীমান্তবর্তী মুর্শিদাবাদে ফের অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে কীভাবে ওই সাতজন এ দেশে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তাদের সঙ্গে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, অথবা সীমান্ত পেরনোর ক্ষেত্রে কোনও দালাল বা চক্র তাদের সাহায্য করেছে কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।মুর্শিদাবাদ-সহ সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগ দীর্ঘদিনের। একের পর এক ঘটনায় সেই উদ্বেগ আরও বাড়ছে। যদিও পুলিশ-প্রশাসনের তরফে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। অপরিচিত ব্যক্তিদের গতিবিধির উপরও নজর রাখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আটক সাত বাংলাদেশিকে বুধবার হোল্ডিং সেন্টারে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী পদক্ষেপের আগে তাদের পরিচয় এবং ভারতে প্রবেশের পথ-সহ অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হকি বিশ্বকাপে ফের পাকিস্তান-বধ, ৫-৩ গোলে উড়িয়ে দিল হরমনপ্রীতের ভারত

হকি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মঞ্চে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল ভারত। ১৯ অগস্ট নেদারল্যান্ডসের আমস্টেলভিনের ওয়াগনার হকি স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। হরমনপ্রীত সিংয়ের নেতৃত্বে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক হকি খেলেছে ভারতীয় দল। শেষ পর্যন্ত ৫-৩ গোলে পাকিস্তানকে হারিয়ে গুরুত্বপূর্ণ জয় নিশ্চিত করে টিম ইন্ডিয়া।ম্যাচের শুরু থেকেই পাকিস্তানের উপর চাপ বাড়াতে থাকে ভারত। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটেই পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত ড্র্যাগ-ফ্লিকে গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে দেয় ভারত। ১১ মিনিটের মাথায় ব্যবধান দ্বিগুণ করেন মনদীপ সিং। তাঁর গোলে প্রথম কোয়ার্টার শেষ হওয়ার আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারেও একই গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যায় হরমনপ্রীতের দল।দ্বিতীয় কোয়ার্টারে ফের গোল করেন অধিনায়ক হরমনপ্রীত সিং। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ভারতকে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি। তিন গোলের ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চাপ আরও বেড়ে যায় পাকিস্তানের উপর। তবে হাল ছাড়েনি পাকিস্তান। ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা শুরু করে তারা। হন্নান শাহিদ পাকিস্তানের হয়ে প্রথম গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করেন। এরপর কিছুটা উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে ম্যাচ। পাকিস্তান ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও ভারত আক্রমণের ধার একেবারেই কমায়নি।২৪ মিনিটে ফের ভারতীয় শিবিরে উচ্ছ্বাস। দুর্দান্ত ব্যক্তিগত দক্ষতায় গোল করেন অভিষেক। একসঙ্গে ৪-৫ জন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে কাটিয়ে তাঁর অসাধারণ ফিনিশ ভারতকে ৪-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। যদিও এরপরই পাকিস্তানের হয়ে সুফিয়ান গোল করে ব্যবধান কমিয়ে ৪-২ করেন।দ্বিতীয় কোয়ার্টার শেষে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ভারত। প্রথমার্ধে হরমনপ্রীতের জোড়া গোল, মনদীপের একটি গোল এবং অভিষেকের দুর্দান্ত ফিনিশে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে ভারত। পাকিস্তানের হয়ে হন্নান শাহিদ ও সুফিয়ানের গোল অবশ্য তাদের ম্যাচে ফেরার আশা জিইয়ে রাখে। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখে ভারত। আক্রমণাত্মক হকির পাশাপাশি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণও নিজেদের হাতে রেখে শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে হরমনপ্রীতের দল।চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এই জয় হকি বিশ্বকাপের মঞ্চে ভারতের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযানে নিজেদের শক্তির পরিচয় দিল টিম ইন্ডিয়া।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

পেনাল্টি শুটআউটে নাটকীয় জয়, ডুরান্ড কাপের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল, প্রতিপক্ষ কে?

নাটকীয় পেনাল্টি শুটআউটে এসসি দিল্লিকে হারিয়ে ২০২৬ ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের লড়াই গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৫-৩ ব্যবধানে জয় পায় লাল-হলুদ। শুটআউটে ইস্টবেঙ্গলের পাঁচ শুটারই নিজেদের দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেন। শেষ পর্যন্ত রশিদের নিখুঁত স্পট-কিকেই নিশ্চিত হয় ফাইনালের টিকিট।টাইব্রেকারের শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় এসসি দিল্লি। তাদের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে আসেন পেনা। তাঁর নেওয়া স্পট-কিক অসাধারণ দক্ষতায় আটকে দেন ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার প্রভসুখন গিল। শুরুতেই প্রতিপক্ষের পেনাল্টি রুখে দিয়ে দলকে বাড়তি সুবিধা এনে দেন তিনি। দিল্লির দ্বিতীয় পেনাল্টিতে রদ্রিগুইনহো গোল করে ব্যবধান কমানোর চেষ্টা করেন।ইস্টবেঙ্গলের হয়ে প্রথম পেনাল্টি নিতে এগিয়ে আসেন আনোয়ার আলি। চাপের মুহূর্তেও ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর দিল্লির ডুভানও গোল করেন। ফলে টাইব্রেকারের উত্তেজনা ক্রমশ বাড়তে থাকে।লাল-হলুদের দ্বিতীয় স্পট-কিক নিতে আসেন দানু। তিনিও কোনও ভুল করেননি। তাঁর শট জালে জড়িয়ে যায়। দিল্লির হয়ে আইমেনও নিজের পেনাল্টি থেকে গোল করে লড়াই জিইয়ে রাখেন। এরপর ইস্টবেঙ্গলের তৃতীয় শট নিতে আসেন চুংনুঙ্গা। তাঁর শটও সফল হয়।চতুর্থ পেনাল্টিতে ইস্টবেঙ্গলের হয়ে দায়িত্ব নেন ক্রিস ইকোনোমিডিস। তাঁর নিখুঁত শটে ফের বল জালে জড়িয়ে যায়। ফলে ফাইনাল থেকে আর মাত্র এক ধাপ দূরে ছিল লাল-হলুদ।এরপর ম্যাচ শেষ করার দায়িত্ব এসে পড়ে রশিদের উপর। চাপের সেই মুহূর্তেও বিন্দুমাত্র বিচলিত হননি তিনি। অসাধারণ ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক নিয়ে বল গোলের বাঁ দিকের উপরের কোণে পাঠিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে ইস্টবেঙ্গল শিবির। ৫-৩ ব্যবধানে টাইব্রেকার জিতে ফাইনালে উঠে যায় আন্তোনিও হাবাসের দল।তবে পুরো ম্যাচে এসসি দিল্লিও যথেষ্ট লড়াই করেছে। সুযোগ কাজে লাগাতে না পারার জন্য শেষ পর্যন্ত তাদের খেসারত দিতে হয়। প্রথমার্ধে রদ্রিগুইনহোর পেনাল্টি বাঁচিয়ে দেন গিল। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের রশিদ ও জেসিনের শট-সহ মোট তিনটি প্রচেষ্টা গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে।শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ে গোলের দেখা না মিললেও পেনাল্টি শুটআউটে নিজেদের স্নায়ুর জোর ধরে রাখে ইস্টবেঙ্গল। এখন ফাইনালে তাদের সামনে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট অথবা ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন নর্থইস্ট ইউনাইটেডের চ্যালেঞ্জ।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অনলাইন বেটিংয়ের অন্ধকার থেকে ফেরার বার্তা, নন্দনে ‘পুনর্জন্ম’

দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে সূর্যদীপের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, ২১ অগাস্ট নন্দনে প্রদর্শনরাতারাতি বড়লোক হওয়ার স্বপ্ন। হাতে থাকা স্মার্টফোনে কয়েকটি ক্লিক। আর সেই সহজলভ্যতার হাত ধরেই ধীরে ধীরে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ, লটারি কিংবা ডিজিটাল জুয়ার নেশায় জড়িয়ে পড়ছেন বহু মানুষ। শুরুটা হয় সামান্য বিনোদন কিংবা দ্রুত অর্থ উপার্জনের আশায়, কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই নেশাই কেড়ে নিচ্ছে সঞ্চয়, সম্পর্ক এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন। এই বাস্তব সামাজিক সমস্যাকেই পর্দায় তুলে ধরতে তৈরি হয়েছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুনর্জন্ম।পরিচালক সূর্যদীপের এই ছবি এবার জায়গা করে নিয়েছে দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের অফিশিয়াল সিলেকশনে। আগামী ২১ অগাস্ট, শুক্রবার দুপুর সাড়ে ৩টায় কলকাতার নন্দন প্রেক্ষাগৃহে ছবিটির প্রদর্শন হবে।পুনর্জন্ম-এর মূল বিষয় শুধুমাত্র অনলাইন গেম বা বেটিং নয়। এর কেন্দ্রে রয়েছে আসক্তির ভয়াবহতা এবং সেই আসক্তি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে জীবন শুরু করার বার্তা। নির্মাতাদের বক্তব্য, প্রযুক্তি মানুষের জীবনকে সহজ করেছে ঠিকই, কিন্তু তার অপব্যবহার অনেকের কাছে ভয়াবহ বিপদের কারণ হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের একাংশ দ্রুত এবং সহজে অর্থ উপার্জনের আশায় অনলাইন বেটিং ও বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল জুয়ার ফাঁদে পা দিচ্ছেন।এর জেরে শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই নয়, পরিবারে তৈরি হচ্ছে অশান্তি, ভেঙে যাচ্ছে সম্পর্ক, বাড়ছে মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রেই সর্বস্ব হারিয়ে মানুষকে চরম সংকটের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এই অন্ধকার বাস্তবতাকেই গল্পের মাধ্যমে দর্শকদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে পুনর্জন্ম।ছবির লেখক, পরিচালক এবং অভিনেতা সূর্যদীপের কথায়, ছবিটি তৈরির পিছনে তাঁদের মূল উদ্দেশ্য বিনোদনের পাশাপাশি একটি সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া। তাঁর বক্তব্য, বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের নেশার মধ্যে অনলাইন গেম, বেটিং অ্যাপ এবং লটারির আসক্তি অত্যন্ত ভয়ংকর হয়ে উঠছে। তাঁর আশা, ছবিটি দেখে অন্তত একজন মানুষও যদি এই সর্বনাশা অভ্যাস থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলেই তাঁদের পরিশ্রম সার্থক হবে।নন্দনে প্রদর্শনের সুযোগকে তাই শুধুমাত্র একটি চলচ্চিত্র উৎসবে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখছেন না নির্মাতারা। তাঁদের কাছে এটি সামাজিক সচেতনতার বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। দুর্গাপুর ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে ছবিটি অফিশিয়াল সিলেকশনের জন্য ধন্যবাদও জানিয়েছেন পরিচালক।নন্দনের পর ইউটিউবে মুক্তিনন্দনে প্রদর্শনের পরও দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে আরও একটি সুযোগ। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর, শিক্ষক দিবসে, এস. ডি এন্টারটেইনমেন্ট-এর ইউটিউব চ্যানেলে বিশ্বজুড়ে দর্শকদের জন্য পুনর্জন্ম আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। অর্থাৎ প্রেক্ষাগৃহের দর্শকদের পাশাপাশি পরে অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও ছবিটি পৌঁছে যাবে বৃহত্তর দর্শকের কাছে।ছবির কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন সূর্য। অভিনয়ে রয়েছেন অনুপম মুখার্জী, সান্তনু চক্রবর্তী, পুষ্পিতা বক্সি, সূর্যদীপ, অভিক দাস, মেঘ কুন্ডু, অঞ্জন মাঝি, সুবির মুখার্জি, রাজা মুখার্জি, বিকাশ হালদার এবং দীপঙ্কর কাঁটাল।চিত্রগ্রহণের দায়িত্ব সামলেছেন সৌনক দাস। আলো ও স্থিরচিত্রের দায়িত্বে রয়েছেন সুমন বিশ্বাস।সব মিলিয়ে, পুনর্জন্ম শুধু একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নয়, বরং বর্তমান সময়ের এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যাকে ঘিরে সচেতনতার বার্তা দেওয়ার প্রয়াস। অনলাইন গেম, বেটিং কিংবা লটারির নেশা যেখানে ক্রমশ সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব ফেলছে, সেখানে সেই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার গল্পই নন্দনের পর্দায় বলতে চলেছে পুনর্জন্ম।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
দেশ

অগস্টেই শেষ হওয়ার কথা চাকরি, তার আগেই সুপ্রিম কোর্টে এসএসসি! ২৬ হাজারকে নিয়ে কী চাইছে কমিশন?

২৬ হাজার চাকরিহারার ভবিষ্যৎ নিয়ে ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হলেও তা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও স্কুল সার্ভিস কমিশন যৌথ ভাবে শীর্ষ আদালতে এই আবেদন করেছে।সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, অগস্ট মাসের মধ্যেই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার কথা। সেই নির্দেশ মেনে নিয়োগের কাজ শুরু হয়েছিল। নবম ও দশম শ্রেণির নিয়োগের ক্ষেত্রে যাচাই প্রক্রিয়া চলছিল। পাশাপাশি একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির নিয়োগের জন্য কাউন্সেলিংও শুরু হয়েছিল। কিন্তু মাঝপথেই সেই প্রক্রিয়ায় ফের বাধা তৈরি হয়।মূলত ওবিসি সংরক্ষণ নীতি নিয়ে নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। রাজ্য সরকার ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম তৈরি করেছে। সেই নিয়ম কী ভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কার্যকর করা হবে, তা নিয়েই এখন আলোচনা চলছে। আইনজীবীদের সঙ্গেও বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ করছে স্কুল সার্ভিস কমিশন।এর মধ্যেই ২৬ হাজার চাকরিহারার চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার সময়সীমা ঘনিয়ে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ৩১ অগস্ট তাঁদের চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। তার আগে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে নতুন করে সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই কারণেই চাকরির মেয়াদ আরও কিছুটা বাড়ানোর আবেদন জানানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।যাঁরা ইতিমধ্যেই সুপারিশপত্র পেয়েছেন, তাঁদের নিয়োগ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। একদিকে নিয়োগের যাচাই ও কাউন্সেলিং চলছে, অন্যদিকে সংরক্ষণ নীতি কার্যকর করার বিষয়টি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। ফলে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।এর আগে স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান দুষ্যন্ত নারিয়ালা জানিয়েছিলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা নিয়ে সমস্যা হলে সময় বাড়ানোর জন্য সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করা হবে। সেই মতোই এবার শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হল কমিশন।এখন সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে ২৬ হাজার চাকরিহারা শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশযাত্রায় সুপ্রিম কোর্টের স্বস্তি, এবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে নতুন ধাক্কা? অভিষেক মামলায় বড় দিন বৃহস্পতিবার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার মামলা নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে বুধবার শুনানি হল না। মামলাটি বৃহস্পতিবার শুনবেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তার আগে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষকে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ফলে বৃহস্পতিবারের শুনানির দিকে নজর রয়েছে।অভিষেকের আইনজীবীর অভিযোগ, কী কারণে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করা হয়েছে, সে বিষয়ে ব্যাঙ্কের তরফে স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। তাঁর আরও দাবি, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১০৭ নম্বর ধারা অনুসরণ না করেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, কোনও অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করতে হলে পুলিশকে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে হয় বলেই আদালতে জানানো হয়েছে।মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানতে চান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনও মামলা চলছে কি না। জবাবে তাঁর আইনজীবী জানান, আদালতের নির্দেশ মেনে অভিষেক তদন্তে সহযোগিতা করছেন। তবে সেই মামলাগুলির সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়।এরপরই মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বুধবার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে বৃহস্পতিবার করা হয়েছে। ওই দিন ব্যাঙ্কের রিপোর্টের ভিত্তিতে মামলাটি ফের আদালতে উঠবে।এর আগে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। রাজ্যে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় আদালতের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা ছিল। প্রথমে হাই কোর্ট বিদেশে চিকিৎসা করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং কলকাতার সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার পরামর্শ দেয়।হাই কোর্টের সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে বিষয়টি ফের হাই কোর্টে আসে। পরে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার জন্য ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। শর্তসাপেক্ষে তাঁকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয় শীর্ষ আদালত।এখন বিদেশযাত্রার অনুমতির পরেই ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ নিয়ে নতুন করে আইনি জটিলতা তৈরি হয়েছে। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কের রিপোর্টে কী তথ্য উঠে আসে এবং আদালত কী নির্দেশ দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোট মিটেছে, বাহিনী ফেরেনি! বাংলায় এবার ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী, কারণ কী?

ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে। সাধারণত তার পর ধাপে ধাপে রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়। কিন্তু এ বার ছবিটা অন্য রকম। বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। ফলে বাংলায় এখন মোট ১০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন থাকবে।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য বাংলায় বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। ভোট মিটে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে সেই বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে রাজ্যে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়া হয়েছিল।এ বার সেই সংখ্যাই আরও ৫০ কোম্পানি বাড়ানো হচ্ছে। নতুন করে যে বাহিনী বাংলায় আসছে, তার মধ্যে রয়েছে সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনী, সশস্ত্র সীমা বল এবং কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলিশ বাহিনী। নতুন ৫০ কোম্পানি যোগ হলে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোট সংখ্যা দাঁড়াবে ১০০ কোম্পানিতে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের পরেই প্রশ্ন উঠেছে, ভোট শেষ হওয়ার পরও কেন বাংলায় এত বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখা হচ্ছে? প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, এর পিছনে অন্য কোনও কারণ নেই। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিভিন্ন স্পর্শকাতর এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টহলদারি চালাবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকানো, এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা তৈরি করাই হবে বাহিনীর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের বিশেষ দলের সঙ্গেও সমন্বয় করে কাজ করবে তারা।নির্বাচনের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি নতুন কিছু নয়। কিন্তু ভোট শেষ হওয়ার পর বাহিনীর সংখ্যা কমার বদলে আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। যদিও প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে কোনও বিশেষ ঘটনার যোগ নেই। শুধুমাত্র বাংলার আইনশৃঙ্খলা আরও সুদৃঢ় রাখতেই রাজ্যে অতিরিক্ত ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হচ্ছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬
কলকাতা

ঘুম ভাঙতেই চারপাশ কালো ধোঁয়া, সামনে শুধু আগুন! বাথরুমে ঢুকে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে কী করলেন টিকন?

কলকাতার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের রাতে প্রাণে বেঁচে ফিরলেন টিকন সাউ, তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। মেয়ের প্রশিক্ষণের জন্য কলকাতায় এসে স্ত্রী-মেয়েকে নিয়ে ওই হোটেলে উঠেছিলেন টিকন। তিন দিনের জন্য ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকায়। কিন্তু রাতে ঘুমোতে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি।রাতের খাওয়া সেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে ঘরে চলে যান টিকন। রাত ১২টা নাগাদ ঘুমিয়েও পড়েন তাঁরা। রাত ২টো নাগাদ হঠাৎ ঘরের ভিতরে ধোঁয়া ঢুকতে শুরু করে। প্রথমে ঘুমের মধ্যে থাকায় তাঁরা কিছু বুঝতে পারেননি। শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর ঘুম ভাঙে। চোখ খুলেই দেখতে পান, চারপাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে।আগুন লেগেছে বুঝতে পেরে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে বাথরুমে ঢুকে পড়েন টিকন। প্রাণ বাঁচানোর মরিয়া চেষ্টায় কল খুলে দেন। বাইরে তখন আগুন, চারদিকে ধোঁয়া। বাথরুমের ভিতর থেকেই সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাকেন তাঁরা।শেষ পর্যন্ত দমকলকর্মীরা বাথরুম থেকে টিকন, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্ধার করেন। হোটেলের লোহার সিঁড়ি দিয়ে তাঁদের কোনও রকমে নীচে নামিয়ে আনা হয়। তবে ততক্ষণে ওই হোটেলের আরও নয় জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই হোটেল মালিক বীরেশ্বর মিত্রের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। তাঁর বাড়ি দক্ষিণ কলকাতার বেহালার তিন নম্বর রায়বাহাদুর রোডে। সেই সূত্র ধরে সকালে বেহালা ও নিউ মার্কেট থানার পুলিশ যৌথ ভাবে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়।পুলিশের তল্লাশিতে ফ্ল্যাটের ভিতরে বীরেশ্বর মিত্রকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির একতলাতেও খোঁজ চালানো হয়। তাঁর ফ্ল্যাটের নীচে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরেশ্বরের দুটি গাড়ি রয়েছে। তার মধ্যে একটি গাড়ি নিয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে চলে গিয়েছেন বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। অন্য গাড়িটি এখনও বাড়ির নীচে রয়েছে।এই ঘটনায় হোটেলের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, বহুতলের ভিতরে ঘরের পর ঘর তৈরি করা হয়েছিল। সরু জায়গার মধ্যে একাধিক কক্ষ থাকায় আগুন লাগার পর আবাসিকদের বেরিয়ে আসার পথও কঠিন হয়ে পড়ে। রাতের অন্ধকারে ঘুমন্ত মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরীও হোটেলের অনুমোদন ও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের হোটেল কী ভাবে বাণিজ্যিক অনুমতি পেল, তা খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে।মির্জা গালিব স্ট্রিটের এই অগ্নিকাণ্ডে একাধিক প্রাণহানির পর এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কী ভাবে এমন একটি হোটেল এত দিন চলল এবং আগুন লাগার পর আবাসিকদের জন্য নিরাপদে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা কেন ছিল না। একই সঙ্গে হোটেল মালিকের খোঁজ না মেলায় তদন্তে নতুন করে রহস্যও তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal